বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মিনিটেই ডিপোজিট করুন। জেতা অর্থ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উইথড্র করুন। pk like-এ প্রতিটি লেনদেন নিরাপদ ও যাচাইযোগ্য।
pk like-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো সমর্থিত।
নিচে ডিপোজিট ও উইথড্র উভয়ের পদ্ধতি আলাদাভাবে দেওয়া আছে।
আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। একাউন্ট না থাকলে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করুন।
উপরের মেনু বা একাউন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে ডিপোজিট বিভাগে যান।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক ট্রান্সফার — পছন্দের পদ্ধতি বেছে নিন।
কত টাকা ডিপোজিট করতে চান তা লিখুন। ন্যূনতম ৳১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ পর্যন্ত।
প্রদর্শিত নম্বরে নির্ধারিত পরিমাণ পাঠান এবং লেনদেনের রেফারেন্স নম্বর সংরক্ষণ করুন।
pk like একাউন্টে লগইন করুন এবং ব্যালেন্স নিশ্চিত করুন। উইথড্রের জন্য ন্যূনতম ৳৫০০ থাকতে হবে।
একাউন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে উইথড্র বা "টাকা তোলা" অপশন বেছে নিন।
আপনার নিবন্ধিত বিকাশ, নগদ বা রকেট নম্বর দিন। ভিন্ন নম্বরে পাঠানো সম্ভব নয়।
উইথড্র পরিমাণ লিখুন এবং মোবাইলে আসা OTP দিয়ে অনুরোধ নিশ্চিত করুন।
বিকাশ ও নগদে সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা লাগতে পারে।
প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতির সীমা ও প্রক্রিয়াকরণ সময় একনজরে।
| পদ্ধতি | ন্যূনতম ডিপোজিট | সর্বোচ্চ ডিপোজিট | ন্যূনতম উইথড্র | সর্বোচ্চ উইথড্র | সময় |
|---|---|---|---|---|---|
| 📱 বিকাশ | ৳১০০ | ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ | ৳২৫,০০০ | তাৎক্ষণিক |
| 💚 নগদ | ৳১০০ | ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ | ৳২৫,০০০ | তাৎক্ষণিক |
| 🚀 রকেট | ৳২০০ | ৳৩০,০০০ | ৳৫০০ | ৳২০,০০০ | তাৎক্ষণিক |
| 🏦 ব্যাংক | ৳৫,০০০ | ৳২,০০,০০০ | ৳৫,০০০ | ৳২,০০,০০০ | ১–৬ ঘণ্টা |
| 💳 কার্ড | ৳৫০০ | ৳১,০০,০০০ | — | — | ১–৩ ঘণ্টা |
| 🔐 USDT | $৫ | $১০,০০০ | $১০ | $১০,০০০ | ১–২ ঘণ্টা |
pk like-এ ডিপোজিট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। উইথড্রে সামান্য ফি প্রযোজ্য।
pk like সদস্যদের সম্প্রতি সম্পন্ন লেনদেনের একটি নমুনা।
pk like-এ আপনার প্রতিটি লেনদেন একাধিক স্তরে সুরক্ষিত।
সব লেনদেন ২৫৬-বিট SSL প্রযুক্তিতে এনক্রিপ্টেড — কেউ তথ্য চুরি করতে পারবে না।
উইথড্রের সময় মোবাইলে OTP পাঠানো হয়। আপনার অনুমতি ছাড়া কোনো লেনদেন সম্ভব নয়।
AI-চালিত প্রতারণা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা প্রতিটি লেনদেন রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করে।
প্রতিটি লেনদেনের সম্পূর্ণ ইতিহাস একাউন্টে সংরক্ষিত — যেকোনো সময় যাচাই করুন।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বড় অভিযোগ থাকে আর্থিক লেনদেন নিয়ে — টাকা জমা হতে দেরি, উইথড্র আটকে যাওয়া, বা সাপোর্টে যোগাযোগ করেও সমাধান না পাওয়া। pk like এই সমস্যাটাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে মোকাবেলা করেছে।
এখানে বিকাশ, নগদ ও রকেটে ডিপোজিট মানেই তাৎক্ষণিক। ফোন থেকে পেমেন্ট পাঠানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে একাউন্টে ব্যালেন্স যোগ হয়। রাত তিনটায় খেলতে বসলেও এই সিস্টেম একই গতিতে কাজ করে — ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাত দিন।
pk like-এ উইথড্র সাধারণত ১৫ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। বড় অঙ্কের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হতে পারে, যা সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা নেয়। রাতের বেলা বা সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এই সময়সীমা মেনে চলা হয়।
উইথড্রের সময় একটি OTP আসে আপনার নিবন্ধিত মোবাইলে। এই কোড না দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন হয় না — ফলে আপনার একাউন্টে অন্য কেউ প্রবেশ করলেও টাকা তুলতে পারবে না। এই দ্বিস্তরীয় নিরাপত্তা pk like-এর সব সদস্যের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয়।
pk like-এ ডিপোজিট করার সময় ভাউচার কোড দিলে বোনাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাউন্টে যোগ হয়। যেমন PKWELCOME100 কোড দিয়ে ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে মোট ৳২,০০০ দিয়ে খেলা শুরু করতে পারবেন। বোনাসের অর্থ আলাদা ব্যালেন্স হিসেবে দেখায় এবং নির্দিষ্ট ওয়েজারিং শর্ত পূরণ হলে মূল ব্যালেন্সে রূপান্তরিত হয়।
ভাউচার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভাউচার পেইজ দেখুন। বিভিন্ন প্রোমোশন অফার ও বোনাসের তথ্য পাবেন প্রোমোশন পেইজে।
মাঝে মাঝে মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ডিপোজিট দেরিতে প্রতিফলিত হতে পারে। এক্ষেত্রে ৫–১০ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং একাউন্ট রিফ্রেশ করুন। যদি ২০ মিনিটেও না আসে তবে লেনদেনের রেফারেন্স নম্বর নিয়ে সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।
মনে রাখবেন: pk like কখনো ফোনে বা মেসেজে পাসওয়ার্ড বা OTP চাইবে না। এই ধরনের কোনো অনুরোধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করুন এবং সাপোর্টকে জানান। আরও বিস্তারিত জানতে গোপনীয়তা নীতি পড়ুন।
pk like-এ প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতিতে দৈনিক ও মাসিক সীমা নির্ধারিত আছে। বিকাশ ও নগদে দৈনিক সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ ডিপোজিট করা যায়। মাসিক উইথড্রের সীমা নির্ভর করে আপনার একাউন্ট যাচাইকরণ স্তরের উপর।
পূর্ণাঙ্গ KYC (Know Your Customer) যাচাই সম্পন্ন করলে উচ্চতর সীমা পাওয়া যায়। KYC-র জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি প্রয়োজন। এটি একবারই করতে হয় এবং এরপর লেনদেন আরও সহজ ও দ্রুত হয়।
আর্থিক লেনদেন নিয়ে সবচেয়ে বেশি যা জানতে চাওয়া হয়।